Thursday, August 20

৪৫ বছর পর আটক জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক;

জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় আটক মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন।
জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় ৪৫ বছর পর আটক মোজাফফর হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করার পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কোর্ট মার্শালের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় দীর্ঘদিনের আলোচিত এই মামলাটি আবারও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বনানী ডিওএইচএস থেকে মধ্যরাতে আটক

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৫ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আটক করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কোর্ট মার্শালের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

৪৫ বছর ধরে ছিলেন পলাতক

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে আটক করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছিল।

জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার প্রেক্ষাপট

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় এবং পরবর্তী সময়ে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন ওই মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন পলাতক থাকা আসামিদের একজন ছিলেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে।

পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া

আটকের পর তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছে। এরপর কোর্ট মার্শাল-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আটক এই বহুল আলোচিত মামলার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন কোর্ট মার্শালসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে নজর থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Toggle Dark Mode